ডিসি'র চুমু বৃত্তান্ত
জামালপুরের ডিসি তাঁর সরকারী কার্যালয়ের পাশের কক্ষে এক সহকর্মী কে আলিঙ্গনের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠেছে। যে দেশে ঘুষ খাওয়া অপরাধ নয়, সে দেশে বিপরিত লিঙ্গের সম্মতিক্রমে চুমু খাওয়া অপরাধ কেন?
বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি সরকারী বে-সরকারী থেকে শুরু করে এনজিও কর্মকর্তাদের মধ্যে এমন পরকিয়ার অনৈতিক সম্পর্ক বিদ্যমান।
যেখানে বাবার কাছে মেয়ে নিরাপদ নয়, শিক্ষকের কাছে ছাত্রী, হুজুরের কাছে ছাত্র-ছাত্রী, পৌরহিদের কাছে দায়িকা নিরাপদ নয় সেখানে একজন সরকারী কর্মকর্তা অপর সরকারি কর্মকর্তার সাথে চুমু খাওয়ার বিষয়ে ঢোল পিঠিয়ে লাভ কি?
একজন ডিসি প্রতি স্বাক্ষরে কমপক্ষে এক লক্ষ থেকে শুরু করে এক'শ কোটি টাকার ঘুষ বিনিময় করে থাকেন। বহু ঘুষ দুর্নীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকে এমন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাগণ। তাদের স্বাক্ষর প্রতি ঘুষ বিনিময়ে আপনাদের প্রতিবাদের অনুভূতি জাগেনা কিন্তু একজন নারী সহকর্মীর সাথে তার ইচ্ছা ও সম্মতিক্রমে চুমু খেলে আপনাদের প্রতিবাদের অনুভূতি খাঁড়া হয়ে যায়। এ জাতি একটা সেক্সুয়াল ফ্রাস্ট্রেটেড জাতিতে পরিণত হচ্ছে দিন দিন। এই দেশে কি পরকিয়া নিষিদ্ধ? পরকিয়া নিষিদ্ধকরণে সামাজিক ও রাষ্ট্রিয় কোনো ব্যবস্থা আছে? ছোট ছোট বিষয়ে লাফাতে লাফাতে আমরা বড় বিষয়গুলো আড়াল করে দিই।

Comments
Post a Comment