ধর্ম ও ধার্মিক
কাটমোল্লার মেয়ে আরেফা বেগম দীর্ঘদিন যাবৎ অসুস্থ। ডাক্তারের পর ডাক্তার দেখাইতে দেখাইতে তাঁহার সন্তানরা ক্লান্ত না হইলেও আরেফা বেগম নিজেই ক্লান্ত হইয়া পড়িয়াছে। তাঁহার রোগের কোনো ঊনিশ-বিশ হইতাছে না। ঔষধের পর ঔষধ চেইঞ্জ হচ্ছে খাবার তালিকা চেইঞ্জ হচ্ছে শুধু চেইঞ্জ হচ্ছে না রোগের আকার ধরণ। প্রচণ্ড অসুস্থতার মইধ্যে ও আরেফা বেগম নামাজ কালাম কাযা করবার পক্ষে না। তা নিয়মিত চলছে। ডাক্তারের পরামর্শ মতো ঔষধ চলছে। কিন্তু সুস্থতাবোধের লক্ষ্যে গাভীর দুধ খাওয়াইতে বলেছিলো ডাক্তার মহাশয়। গাভীর দুধ তো গাভীর দুধ নাই হরিণের দুধ হইয়া গেছে। দু-তিনটে পাড়া মহল্লা পুরো দু-এক এলাকা জুড়ে কোথাও গাভীর দুধ পাওন যায় না। সে-বার খোঁজ নিয়ে জানা গেল, পাশ্ববর্তী গ্রামে এক গৃহিণীর দু-একটা অস্ট্রেলিয়ান গাভী আছে। গাভী দু'টো বাচ্চা দিয়েছে। দুধের কোনো অমিল নাই। গৃহিণী দুধের আড়ত খুলে বসেছেন। তবে সমস্যা একটা, সমস্যা বড়সড় ছোটখাটো কোনোটা নিজের না সমস্যা হইলো গিয়া কাটমোল্লার নামাজি মেয়ে অসুস্থ আরেফা বেগমের। যে গৃহিণী গাভীর দুধ বিক্রি করেন ঐ মহিলা জাতে বৌদ্ধিস্ট। অপর দিকে আরেফা বেগম নামাজ কালাম পড়া পরহেজগার নারী একজন বড়ুয়া...