টিশার্টের এ-কাল সে-কাল
টিশার্ট আমাদের অন্যতম প্রিয় পোশাক। আপনি খেয়াল করলেই দেখবেন, পাঞ্জাবি পড়েনা এমন অহরহ লোক পাবেন, কিন্তু টিশার্ট পড়েনা তেমন লোক পাবেন না। সে টিশার্টের সাথে আমরা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিটুকু ফুঁটিয়ে তুলি। নিজের আদর্শ ব্যক্তিকে অনুস্বরণ করি। নিজের মনোভাবকে প্রকাশ করি। যেমনটা আগে আমাদের টিশার্টে বিভিন্ন রকমের ডিজাইন থাকতো। প্রকৃতির প্রতিচ্ছবির পাশাপাশি থাকতো চে গুয়েভারা, কার্ল মার্কস, ফিদেল কাস্ত্রো, চ্যাপলিন, নজরুল, রবীন্দ্রনাথ, এমন কি সাড়া জাগাঁনো বাংলা কবিতা ও বিশিষ্ট জনের উক্তি ।
কিন্তু আজকাল দেখা যায় টিশার্টে ছবি থাকে সেফুদার, আর ওসব টিশার্টে লেখা থাকে ক্যানে চলর, মামা সাইটে চাপেন, গাঞ্জা খাবি? কই যাস? তাকালে ক্রাশ খাবো, লোকাল বাস, তুমি একটা ক্রাশ, নাম বললে চাকরি থাকবে না, দাদা খেয়ে এসেছেন না কি যেয়ে খাবেন? কিস্তি আছে? চিনোস আমারে? নিজের চরকায় তেল দেন, এই সব আজে বাজে উদ্ভট সব লেখায় টিশার্ট প্রিন্টিং।
কবিতা পছন্দ করেনা তেমন লোক পাওয়া যায়, কিন্তু সংগীত পছন্দ করেনা তেমন লোক পাওয়া দুষ্কর। একটা সময় দেখেছি ভ্যান গফ, জেমস্, মাইক্যাল জ্যাকসন, ফ্রয়েড, এদের ছবি রুমে টাঙিয়ে রাখতো কিংবা তাদের ছবি থাকা টিশার্ট গাঁয়ে জড়াতো। এখন সে যুগ চলে গেছে। লোকে হিরু আলম, সেফুদা এদের কে নিয়ে ট্রল করতে গিয়ে তাদের কে প্রজন্মের কাছে তুলে ধরছে। হাসির পাত্রের চেয়ে সেলেব্রেটি হয়ে যাচ্ছে তারা।
কিছুদিন পর দেখবেন, বাজারে টিশার্ট আসছে
ঢেলে দিই, চা-খাবেন, আমি কি কাউকে গালি দিয়েছি, বুঝলে বোঝ পাতা না বুঝলে তেজ পাতা এসব আজে বাজে উদ্ভট লেখা ওয়ালা টিশার্ট। এসব টিশার্ট গাঁয়ে জড়ানো মানে এটি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ। তাহলে আমাদের জাতিগত মানদণ্ড কোথায় গিয়ে দাঁড়াচ্ছে? আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির উন্নতি হচ্ছে কোথায়? আমরা জাতি হিসেবে উপরে উঠছি নাকি প্রজন্মের কাছে ভবিষ্যৎ কে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছি।
কিন্তু আজকাল দেখা যায় টিশার্টে ছবি থাকে সেফুদার, আর ওসব টিশার্টে লেখা থাকে ক্যানে চলর, মামা সাইটে চাপেন, গাঞ্জা খাবি? কই যাস? তাকালে ক্রাশ খাবো, লোকাল বাস, তুমি একটা ক্রাশ, নাম বললে চাকরি থাকবে না, দাদা খেয়ে এসেছেন না কি যেয়ে খাবেন? কিস্তি আছে? চিনোস আমারে? নিজের চরকায় তেল দেন, এই সব আজে বাজে উদ্ভট সব লেখায় টিশার্ট প্রিন্টিং।
কবিতা পছন্দ করেনা তেমন লোক পাওয়া যায়, কিন্তু সংগীত পছন্দ করেনা তেমন লোক পাওয়া দুষ্কর। একটা সময় দেখেছি ভ্যান গফ, জেমস্, মাইক্যাল জ্যাকসন, ফ্রয়েড, এদের ছবি রুমে টাঙিয়ে রাখতো কিংবা তাদের ছবি থাকা টিশার্ট গাঁয়ে জড়াতো। এখন সে যুগ চলে গেছে। লোকে হিরু আলম, সেফুদা এদের কে নিয়ে ট্রল করতে গিয়ে তাদের কে প্রজন্মের কাছে তুলে ধরছে। হাসির পাত্রের চেয়ে সেলেব্রেটি হয়ে যাচ্ছে তারা।
কিছুদিন পর দেখবেন, বাজারে টিশার্ট আসছে
ঢেলে দিই, চা-খাবেন, আমি কি কাউকে গালি দিয়েছি, বুঝলে বোঝ পাতা না বুঝলে তেজ পাতা এসব আজে বাজে উদ্ভট লেখা ওয়ালা টিশার্ট। এসব টিশার্ট গাঁয়ে জড়ানো মানে এটি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ। তাহলে আমাদের জাতিগত মানদণ্ড কোথায় গিয়ে দাঁড়াচ্ছে? আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির উন্নতি হচ্ছে কোথায়? আমরা জাতি হিসেবে উপরে উঠছি নাকি প্রজন্মের কাছে ভবিষ্যৎ কে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছি।

Comments
Post a Comment