আমাদের মিডিয়া গুলো
“আমাদের মিডিয়া গত কয়দিন আগে আগুন লাগা বনানীর এফ আর টাওয়ারকে দুইটি অংশে ভাগ করেছে।
একটি বৈধ অংশ,অপরটি অবৈধ অংশ।
বৈধ অংশের মালিকের নাম তারা প্রকাশ করছে না।
কিন্তু অবৈধ অংশের মালিকের নাম তারা প্রকাশ করছে।কারন ঐ অংশের মালিক বিএনপি নেতা।যার এখন মিডিয়া পোষার মত ক্ষমতা নাই।
ঐ সম্পুর্ন ভবনের মালিক রুপায়ন গ্রুপ। রুপায়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খান মুকুল ভবন তৈরির সময় ১৮ তালা পর্যন্ত অনুমোদন পেয়েছিলেন।এরপর ১৯-২৪ তলা পর্যন্ত বাড়ানো হলে সে অংশ কিনে নেন বিএনপি নেতা তাসবীর।আগুন লেগেছিল ভবনের দশম তলায়।রুপায়ন গ্রুপের হিউজ ইনভেস্ট আছে বিজ্ঞাপনে।তাই এসব সাংবাদিকরা নিজের পেট বাঁচানোর জন্য সামনে নিয়ে আসছে না আগুন লাগা অংশের মালিক মুকুলের নাম।
মিডিয়ার সাংবাদিকরা অনুসন্ধান করে বের করেছেন 'এফ আর টাওয়ারে'র অবৈধ অংশের মালিকের বিএনপি পরিচয়।কিন্তু উনাদের সে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে আসে নাই।
এই একই ভবনে ২০০৮ সালে প্রথম আগুন লাগে।
সে একই ভবনে আবারো আগুন লেগেছিল ২০১১ সালে।
এবং, ২০১৫ সালের এপ্রিল মাসে দেশে একটা ভূমিকম্প হয়। সেই ভূমিকম্পে বনানী বাণিজ্যিক এলাকার আর কোনো ভবনের কিছু না হলেও এফ আর টাওয়ার সামান্য হেলে যায়।
এই হেলে থাকা একটি ভবন এখনো ব্যাবহার করা হচ্ছে তা কি বিএনপির আমলে হচ্ছে নাকি বিএনপি নেতার ইশারায় হচ্ছে?
রুপায়ন গ্রুপের মালিক লিখে গুগুলে সার্চ করেন,অথবা ফেসবুকের সার্চ বারে সার্চ করেন। দেখবেন উনার সকল আমলনামা উপস্থিত হয়ে যাবে।
-লেকের জায়গা ভরাট করে আলিশান ভবন তৈরি করেছেন রুপায়নের মালিক।
-মুক্তিযোদ্ধার জমি দখল করে প্রজেক্ট তৈরি করেছে রুপায়ন।
- রুপায়ন গ্রুপের প্রতারণা,
ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে নিজেদের নামে জমি দখল।
- উত্তরায় রূপায়ন সিটি গড়ার নামে সরকারি ও স্থানীয়দের জমি দখল করার অভিযোগ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খান মুকুলের বিরুদ্ধে।
-এবং রুপায়ন গ্রুপের ব্যান্ড এম্বাসেডর (শুভেচ্ছা দূত) হলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা।
এত গুলো মানুষ আগুনে পুড়ে অঙ্গার হয়ে গেলো।সেখানে আসল দোষীদের না খুঁজে, অথবা অগ্নিনির্বাপক ব্যাবস্থায় কি ঘাটতি ছিল সেসব অনুসন্ধান না করে; খোঁজ করা হচ্ছে বিএনপি কানেকশন!
দুর্ভাগ্য আমাদের।
বিশ্বের সকল দেশের সাংবাদিক তাদের জনগন কে খবর জানায়।
আমাদের দেশের সাংবাদিক আমাদের নিকট থেকে খবর আড়াল করে।”
Comments
Post a Comment